bvw¯ZKZv-Avw¯ZKZv
নাdngkস্তিকতা বিষয়ে বাজারে বিভিন্ন লেখকের বিভিন্ন বই আছে। কিনতু একটি বই আমার সংগ্রহে এসেছে গত বছরের ২৪ মে, নাসিতকতার পক্ষে যে বই’র চেয়ে মারাত্মক বই বাজারে আর দ্বিতীয়টি আছে বলে মনে হয় না।
বইটি হচ্ছে “আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না।” লেখক প্রবীর ঘোষ।
বইটির প্রকাশক : সুভাষচন্দ্র দে, দে’জ পাবলিশিং ॥ কলকাতা ৭০০ ০৭৩।
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ১৯৯৬, তৃতীয় মুদ্রণ : জানুয়ারি ২০০৩
। ঢাকার নীলক্ষেত থেকে বইটি কেনা। পাঠকবৃন্দ পড়ে দেখতে পারেন।
বইটি হচ্ছে “আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না।” লেখক প্রবীর ঘোষ।
বইটির প্রকাশক : সুভাষচন্দ্র দে, দে’জ পাবলিশিং ॥ কলকাতা ৭০০ ০৭৩।
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ১৯৯৬, তৃতীয় মুদ্রণ : জানুয়ারি ২০০৩
। ঢাকার নীলক্ষেত থেকে বইটি কেনা। পাঠকবৃন্দ পড়ে দেখতে পারেন।
বইটিতে কী আছে-না আছে, বইটির ভূমিকার অংশবিশেষ পড়লেই পাঠকরা কিছু বুঝতে পারবেন।
“মানুষ কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করে? ঈশ্বরে বিশ্বাসীরা তা নিয়ে নানা ধরনের
যুক্তি হাজির করেন। ঈশ্বর বিশ্বাসীদের মধ্যে ফুটপাতের ভিখারি থেকে সুপণ্ডিত বুদ্ধিজীবী, প্রধান প্রধান ধর্মগুলোর গুরু থেকে ‘নোবেল’ বিজয়ী বিজ্ঞানী,
সবই উপস্থিত। তাই বিশ্বাসের পক্ষে যুক্তিও নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর।
আটপৌরে যুক্তি থেকে বিজ্ঞান-তত্ত্বের কূট-কাচালি। এর কোনও একটি
যুক্তিকে পাশ কাটিয়ে ‘নিরীশ্বরবাদী’ বলে নিজেকে ঘোষণা করাটা যুক্তির
দিক থেকে মোটেই সুবিবেচনার কথা নয়। পাশ না কাটিয়ে পাশ করতে
হলে খুব জরুরী কাজটা হল-- ঈশ্বর বিশ্বাসীদের পক্ষের ছোট-বড় সমসত
যুক্তিকে সংগ্রহ করা। তারপর থাকে প্রতিটি যুক্তিকে খণ্ডনের প্রশ্ন।
যুক্তি হাজির করেন। ঈশ্বর বিশ্বাসীদের মধ্যে ফুটপাতের ভিখারি থেকে সুপণ্ডিত বুদ্ধিজীবী, প্রধান প্রধান ধর্মগুলোর গুরু থেকে ‘নোবেল’ বিজয়ী বিজ্ঞানী,
সবই উপস্থিত। তাই বিশ্বাসের পক্ষে যুক্তিও নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর।
আটপৌরে যুক্তি থেকে বিজ্ঞান-তত্ত্বের কূট-কাচালি। এর কোনও একটি
যুক্তিকে পাশ কাটিয়ে ‘নিরীশ্বরবাদী’ বলে নিজেকে ঘোষণা করাটা যুক্তির
দিক থেকে মোটেই সুবিবেচনার কথা নয়। পাশ না কাটিয়ে পাশ করতে
হলে খুব জরুরী কাজটা হল-- ঈশ্বর বিশ্বাসীদের পক্ষের ছোট-বড় সমসত
যুক্তিকে সংগ্রহ করা। তারপর থাকে প্রতিটি যুক্তিকে খণ্ডনের প্রশ্ন।
ঈশ্বরে বিশ্বাসের পক্ষে যুক্তি সংগ্রহে আনতরিক ছিলাম, এ’বিষয়ে আমার
সহযোদ্ধারা অকুণ্ঠ সহযোগিতা করেছেন। প্রতিটি যুক্তিই খণ্ডিত হয়েছে,
বলাই বাহুল্য। নতুবা একজন যুক্তিবাদী হবার সুবাদে, ঈশ্বরে বিশ্বাসী হতে
বাধ্য হতাম। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, এই গ্রন্থে ঈশ্বর বিশ্বাসের পক্ষে হাজির
করা যুক্তির বাইরে বাসতবিকই আর কোনও যুক্তি আপনার জানা থাকলে
আমাকে জানান। আনতরিক কৃতজ্ঞ থাকব। পরবর্তী সংকলনে সে যুক্তি
হাজির করব এবং খণ্ডন করব, এই প্রত্যয় রাখি। খণ্ডনে ব্যর্থ হলে ভারতীয়
বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি তাদের সমসত শাখা সংগঠন, শাখা গণসংগঠন ও সহযোগী সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করে দেবে। এটা আমার কোনও ব্যক্তিগত হঠকারী সিদ্ধানত নয়। আমাদের কার্যকরী সমিতির গৃহীত সিদ্ধানত। আর কেউ যদি
ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেখান, সেটা ঈশ্বরের অসিতত্বের প্রমাণ মেনে নিয়ে ঝাঁপ
বন্ধের প্রতিজ্ঞায় অটল রইলাম। ঈশ্বরে বিশ্বাসের মৃত্যুর জন্য এই চ্যালেঞ্জ
ভয়ংকর হলেও অতি প্রয়োজনীয় ছিল।”
সহযোদ্ধারা অকুণ্ঠ সহযোগিতা করেছেন। প্রতিটি যুক্তিই খণ্ডিত হয়েছে,
বলাই বাহুল্য। নতুবা একজন যুক্তিবাদী হবার সুবাদে, ঈশ্বরে বিশ্বাসী হতে
বাধ্য হতাম। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, এই গ্রন্থে ঈশ্বর বিশ্বাসের পক্ষে হাজির
করা যুক্তির বাইরে বাসতবিকই আর কোনও যুক্তি আপনার জানা থাকলে
আমাকে জানান। আনতরিক কৃতজ্ঞ থাকব। পরবর্তী সংকলনে সে যুক্তি
হাজির করব এবং খণ্ডন করব, এই প্রত্যয় রাখি। খণ্ডনে ব্যর্থ হলে ভারতীয়
বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি তাদের সমসত শাখা সংগঠন, শাখা গণসংগঠন ও সহযোগী সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করে দেবে। এটা আমার কোনও ব্যক্তিগত হঠকারী সিদ্ধানত নয়। আমাদের কার্যকরী সমিতির গৃহীত সিদ্ধানত। আর কেউ যদি
ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেখান, সেটা ঈশ্বরের অসিতত্বের প্রমাণ মেনে নিয়ে ঝাঁপ
বন্ধের প্রতিজ্ঞায় অটল রইলাম। ঈশ্বরে বিশ্বাসের মৃত্যুর জন্য এই চ্যালেঞ্জ
ভয়ংকর হলেও অতি প্রয়োজনীয় ছিল।”
আমার জানামতে প্রবীর ঘোষ কলকাতার একজন জনপ্রিয় যুক্তিবাদী লেখক, চিনতাবিদ ও বুদ্ধিজীবি। তাঁর বইতে ঈশ্বর-বিশ্বাসের পক্ষে তিনি এবং তাঁর সহযোদ্ধাদের সংগ্রহ করা পঞ্চাশের অধিক আসিতক সমাজে প্রচলিত যুক্তি
তিনি ফুঁ দিয়ে বুদবুদ ভেঙ্গে দেবার মতো করে যেভাবে খণ্ডন করেছেন,
এভাবে নতুন কোনো যুক্তি তাঁর নিকট পেশ করা হলে তিনি খণ্ডন করে
ফেলতে পারবেন ভয়ে হয়তোবা এ পর্যনত কোনো আসিতকই এগিয়ে
যাননি তাঁর বই’র বিপরীতে একটি বই লিখতে।
তিনি ফুঁ দিয়ে বুদবুদ ভেঙ্গে দেবার মতো করে যেভাবে খণ্ডন করেছেন,
এভাবে নতুন কোনো যুক্তি তাঁর নিকট পেশ করা হলে তিনি খণ্ডন করে
ফেলতে পারবেন ভয়ে হয়তোবা এ পর্যনত কোনো আসিতকই এগিয়ে
যাননি তাঁর বই’র বিপরীতে একটি বই লিখতে।
একজন মুসলমান হিসেবে আমি মনে করি এটা আমাদের মুসলমানদের
ঈমানী দুর্বলতারই পরিচায়ক। আমার কখনো কখনো আশ্চর্য লাগে প্রবীর
ঘোষরা কিসের উপর দাঁড়িয়ে এতো বড় বড় কথা বলেন, এদের তো কোনো
ভিত্তিই নেই!
ঈমানী দুর্বলতারই পরিচায়ক। আমার কখনো কখনো আশ্চর্য লাগে প্রবীর
ঘোষরা কিসের উপর দাঁড়িয়ে এতো বড় বড় কথা বলেন, এদের তো কোনো
ভিত্তিই নেই!
যাহোক মহাণ আল্লাহর অশেষ রহমতে একটি পুসিতকা বাজারে এসেছে-- “আল্লাহ্কে বিশ্বাস করি কেন?”। পুসিতকায় আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করা
সম্ভব হয়েছে কি-না, তা যাচাই করার দায়িত্ব আপাততঃ পাঠকদের দিলাম;
তবে এটা প্রমাণ করা হয়েছে যে, আল্লাহ্ যদি না থাকেন, তাহলে
প্রবীর ঘোষ নামক কোনো ব্যক্তিও নেই! কারণ প্রবীর ঘোষ
তাঁর বই’র ৩৫ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
সম্ভব হয়েছে কি-না, তা যাচাই করার দায়িত্ব আপাততঃ পাঠকদের দিলাম;
তবে এটা প্রমাণ করা হয়েছে যে, আল্লাহ্ যদি না থাকেন, তাহলে
প্রবীর ঘোষ নামক কোনো ব্যক্তিও নেই! কারণ প্রবীর ঘোষ
তাঁর বই’র ৩৫ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
“ব্রহ্মাণ্ডকে নয় সৃষ্টি করলেন ঈশ্বর, কিন্তু ঈশ্বরকে সৃষ্টি করলেন কে?
প্রশ্ন কিন্তু এখানেই থেমে থাকবে না। তারপরও প্রশ্ন আসবে-- ঈশ্বরের
স্রষ্টাকে সৃষ্টি করলেন কে? সেই স্রষ্টাকেই বা সৃষ্টি করলেন কে? এমনি
করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে কখনই পৌঁছানো যাবে না।”
প্রশ্ন কিন্তু এখানেই থেমে থাকবে না। তারপরও প্রশ্ন আসবে-- ঈশ্বরের
স্রষ্টাকে সৃষ্টি করলেন কে? সেই স্রষ্টাকেই বা সৃষ্টি করলেন কে? এমনি
করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে কখনই পৌঁছানো যাবে না।”
১১৫ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন, “(নিয়মবন্ধনে চলমান এ বিশ্বের নিয়ন্ত্রণকারী
একজন স্রষ্টা আছে যদি বলা হয়, তাহলে) সেই স্রষ্টার স্রষ্টা কে? তাঁরও তো
একজন স্রষ্টা থাকা উচিত, কারণ তিনিও তো সৃষ্টি হয়েছেন।”
একজন স্রষ্টা আছে যদি বলা হয়, তাহলে) সেই স্রষ্টার স্রষ্টা কে? তাঁরও তো
একজন স্রষ্টা থাকা উচিত, কারণ তিনিও তো সৃষ্টি হয়েছেন।”
১৩১ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন, “সৃষ্টি থাকলে স্রষ্টা থাকতেই হবে’-- যাঁরা এমন
যুক্তির অবতারণা করে ঈশ্বরকে ‘জগৎ স্রষ্টা’র সংজ্ঞা দিয়েছেন, তাঁদের এই যুক্তির বিরুদ্ধে জোরালো যুক্তি হাজির করে জিজ্ঞেস করা যায়, ঈশ্বরের স্রষ্টা কে?
যুক্তির অবতারণা করে ঈশ্বরকে ‘জগৎ স্রষ্টা’র সংজ্ঞা দিয়েছেন, তাঁদের এই যুক্তির বিরুদ্ধে জোরালো যুক্তি হাজির করে জিজ্ঞেস করা যায়, ঈশ্বরের স্রষ্টা কে?
উত্তর-- Ô¯^q¤¢~Õ হলে বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডকে ¯^q¤¢~ ভাবতে অসুবিধে কোথায়-- এ’প্রশ্ন ¯^fveZB
উঠে আসবে যুক্তির হাত ধরে। অধ্যাত্মবাদী ও ঈশ্বর-বিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা
এই যুক্তির বিরুদ্ধে উত্তর খুঁজতে সচেষ্ট হয়ে উঠুন, নতুবা তাঁদের ঈশ্বর,
জিজ্ঞাসার মুখে বার বার মুখ থুবড়ে পড়বেন।”
উঠে আসবে যুক্তির হাত ধরে। অধ্যাত্মবাদী ও ঈশ্বর-বিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা
এই যুক্তির বিরুদ্ধে উত্তর খুঁজতে সচেষ্ট হয়ে উঠুন, নতুবা তাঁদের ঈশ্বর,
জিজ্ঞাসার মুখে বার বার মুখ থুবড়ে পড়বেন।”
প্রবীর ঘোষ ঈশ্বরের স্রষ্টা খুঁজে পাচ্ছেন না বলে ঈশ্বরকে বিশ্বাস করছেন না।
অর্থাৎ স্রষ্টা ছাড়া কোনো সৃষ্টি সম্ভব নয়।
অর্থাৎ স্রষ্টা ছাড়া কোনো সৃষ্টি সম্ভব নয়।
যাহোক, “আল্লাহর স্রষ্টা কে?” এবং প্রবীর ঘোষের প্রশ্ন “(আল্লাহ) Ô¯^q¤¢~Õ হলে বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডকে ¯^q¤¢~ ভাবতে অসুবিধে কোথায়” প্রশ্নদ্বয়ের জবাব সংক্ষেপে দেয়ার সুযোগ থাকলে এখানেই দিয়ে দিতাম। সেটা সম্ভব নয় বলে পাঠকবৃন্দকে কষ্ট করে “আল্লাহ্কে বিশ্বাস করি কেন?” পুসিতকার শরণাপন্ন হওয়ার অনুরোধ করছি।
আর হ্যাঁ, প্রবীর ঘোষ তাঁর বইতে ইসলাম সম্পর্কে অনেকগুলো অভিযোগ করেছেন। পুসিতকাটির দ্বিতীয় অধ্যায়ে অভিযোগগুলো উল্লেখ করে সেগুলোর জবাব দানের চেষ্টা করা হয়েছে। পাঠকবৃন্দ দেখবেন তাঁর অভিযোগগুলো সঠিক কিনা, এবং অভিযোগগুলো জবাব দানের যে চেষ্টা চালানো হয়েছে তা কি সত্যিই চেষ্টা, নাকি অপচেষ্টা।
0 comments:
Post a Comment